কক্সবাজারে বেড়াতে এসে বন্ধুর হাতেই বিক্রি: মারমা তরুণীকে বন্দিকরে রেখে গণ ধর্ষন ও দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগ
কক্সবাজারে বেড়াতে এসে ভয়াবহ প্রতারণা ও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মারমা তরুণী।
তরুণীর দাবী, তাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে জিম্মি রাখা হয়েছে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাহাড়তলীর ইছুলের ঘোনা এলাকার একটি ভবনের ফ্ল্যাটে।
ওই মারমা তরুণীর ভাষ্যমতে, গেল এক মাস আগে তার বন্ধু মং মারমা কক্সবাজার বেড়াতে আনার কথা বলে ঘর থেকে বের করে। এরপর কক্সবাজারে তার বন্ধু রুবেল হোসেন ও নুমেষ মারমা দম্পতির হাতে তুলে দেয়,যদিও নুমেষ মারমা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে ।
তরুণীর দাবী, তাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে পূর্ব পাহাড়তলীর ইছুলের ঘোনা এলাকার একটি ভবনের মান্নাত ম্যানশনের ৫ম তলার ফ্ল্যাটে আটকে রাখেন।
এই দম্পতি মারমা তরুণীকে নিয়ে যায় পতিতাবৃত্তিতে। শুধু তাই নয়, জোরপূর্বক কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেল কটেজে পতিতাবৃত্তি করায়। আর বাকিটা সময় অবরুদ্ধ করে রাখে তাদের ফ্ল্যাটে।
শুদু তাই নয় যে ফ্ল্যাটে রাখা হয়েছে তাকে, সেখানেও ঘুমন্ত অবস্থায় রুবেল তার বন্ধুদের নিয়ে এসে তরুণীর সাথে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে।মাঝেমধ্যে মারধর, ঘুমের ওষুধ, ও মাদক সেবন করায় এই রুবেল দম্পতি।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে কোনরকম ছাড়া পেয়ে ফ্ল্যাট থেকে নেমে চায়ের দোকান এসে চোখেমুখে অশ্রু আর ভয় নিয়ে এই মারমা তরুণী শহরের পাহাড়তলির এই চায়ের দোকানে আসেন। আকুতি করেন বলেন মালিকের কাছে আশ্রয় নেয়।
পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সাবেক কাউন্সিল ওসমান সরওয়ার টিপু জরুরি সেবা ৯৯৯ কল দেয়। পুলিশ এসে কথা বলে চায়ের দোকানি ও স্থানীয় ও ভুক্তভোগী তরুণীর সাথে। মান্নাত ম্যানশনের ৫ম তলার ফ্ল্যাট থেকে আটক করে রুবেল ও তার স্ত্রীকে। সাথে উদ্ধার করে একটি ধারালো ছুরি।
অভিযোগ আছে রুবেল এর আগেও বহু নারীকে এই পথে নিয়ে আসে। অভিযুক্ত রুবেল কক্সবাজার সদরে চৌফলদন্ডীর মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র।


আপনার মতামত লিখুন