মারামারি মামলায় সেন্টমার্টিন ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ২ বছরের জেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০
মারামারি মামলায় সেন্টমার্টিন ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ২ বছরের জেল

মারামারি ও দোকান ভাংচুর সংক্রান্ত একটি জি আর মামলায় সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ১ম আদালত কক্সবাজার । একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারী বিকেলে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত ও মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও হামলার ঘটনায় টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নাম্বার ১৫৩/১৭।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মামলার নথিপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে এক নাম্বার আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, নির্বাচিত চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে জনস্বার্থে ও দৈনন্দিন দায়িত্ব পরিচালনার জন্য ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বভার অর্পন করেন। তখন থেকে তিনি দায়িত্ব পরিচালনা করে আসছেন। তবে এর মধ্যে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান এলাকায় উপস্থিত থাকলেও তিনি রহস্যজনক কারণে তার দায়িত্ব ফিরে পাননি। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়জুল ইসলাম তার ভাই ও বহু লোকজন আমার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালায়। এক পর্যায়ে আমাকে গুরুতর আহত করেন তারা। এরই প্রেক্ষিতে আমি বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় একটা মামলা দায়ের করি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া আজকে মামলার রায় হয়েছে। এতে ১ নাম্বার আসামির দুই বছরের সাজা হয়। তবে রায়ের দিন আমি বিশেষ কারণে অনুপস্থিত ছিলাম।
এ দিকে আসামির ভাই রফিকুল ইসলাম এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আপিল আদালতের শরণাপন্ন হয়ে আমার ভাইকে মুক্ত করে আনবো।
এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, মারামারি মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলামের দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি বিভিন্নভাবে জানতে পারেন।