ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশ: ১০ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৯
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের যেকোনো মাজার, মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানায় হামলা চালালে বা ধ্বংসের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মামলা হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এবং হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। রবিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

 উপদেষ্টা বলেন, ‘সম্প্রতি কয়েকটি মাজারে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
মাজার ও মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা আছে। প্রতিটি স্থানে পুলিশ মোতায়েন সম্ভব নয়, তাই সামাজিক সচেতনতাও জরুরি। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিজেদের ভূমিকা রাখতে হবে।

এর আগে সকাল ৯টায় তিনি সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া এলাকায় জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাগলা মসজিদে গিয়ে তিনি জানান, আধুনিক তুরস্কে যে দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলো আছে, এখানে সেগুলোর আদলে ১০ তলা দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এই মসজিদে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা থাকবে।

ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। পাগলা মসজিদের দানের টাকা দিয়েই দৃষ্টিনন্দন কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হবে। শিগগিরই এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।খাওয়ার আগে নাকি পরে, ওজন কমাতে কখন শসা খাবেন?

 মসজিদের তহবিলে জমা থাকা টাকার হিসাব দিয়ে তিনি বলেন, পাগলা মসজিদের ৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ১৩টি ব্যাংকে এফডিআর আকারে জমা রয়েছে। যারা অর্থাভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার মতো পোশাক-পরিচ্ছদ কিনতে অক্ষম।
আমি মসজিদ কমিটিকে বলেছি, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার দরিদ্র শিক্ষার্থীদেরও যেন এই লভ্যাংশ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা হবে একটি মহৎ কাজ। মসজিদের লভ্যাংশের টাকা গরিব, দুঃখী, অনাথ এবং অসুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ লাখ টাকা এসব মানুষের সহায়তায় ব্যয় করা হয়েছে। 

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরানুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি আল জামিয়াতুল এমদাদিয়া আয়োজিত ‘ইসলামী অর্থনীতির গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় যোগ দেন।