স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই পশু জবাই, অ্যানথ্রাক্সে বাড়ছে সংক্রমণ
ডেস্ক নিউজ
প্রকাশ: ১ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৫২
প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও ইউপি কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, উদ্ভূত সভা, লিফলেট বিতরণ ও টিকাদান কর্মসূচি চালাচ্ছে। চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলছেন, মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে এবং রোগগ্রস্ত পশুর রক্ত-মাংসের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা জরুরি। সুন্দরগঞ্জ বাজার ইজারাদার মো. শুকুর আলী উল্লেখ করেছেন, বাজারে নিয়মিত পরীক্ষা চালু রয়েছে। কিন্তু সব স্থানে তা প্রযোজ্য হওয়া উচিত। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপ্লব কুমার দে বলেন, ‘রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া কোনো পশু জবাই করা হবে না এবং ইতিমধ্যে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন।
তারাগঞ্জেও একই অবস্থা। এখানে ৬০-৭০ জন মাংস ব্যবসায়ী রয়েছেন, কিন্তু কারো কাছে লাইসেন্স নেই। একজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তিনি লাইসেন্সের কথা আগ পর্যন্ত জানতেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়ার মূল পথ হলো রোগাক্রান্ত পশু জবাই করতে দেওয়া। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি জনবল ও আইন প্রয়োগ ঠিকভাবে না করা হয়, তাহলে শীতের আগেই এই রোগ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারে।রংপুর জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগ ইতিমধ্যে প্রায় ১,৬৫,০০০ পশুকে টিকা দিয়েছে। তারা বলছেন আতঙ্ক নেই, রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চলছে। তবে মাংস ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতাগত উদ্যোগ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলে, বিশাল স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন