কক্সবাজারে জামায়াত, বগুড়ায় যুবদল নেতা খুন
বগুড়ার কাহালুতে খাস পুকুর দখল নিয়ে বিরোধের জেরে রাহুল সরকার (৩০) নামের এক যুবদল নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান দলবল নিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার ওই ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে কক্সবাজার সদরে জমির বিরোধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে আমজাদ হোসেন (২৮) নামে এক যুবক নিহতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি জামায়াতের যুব বিভাগের চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ইউনিটের সেক্রেটারি।
কাহালুতে নিহত রাহুল সরকার বগুড়া শহরের কৈগাড়ী এলাকার প্রয়াত আব্দুস সোবহানের ছেলে এবং শহর যুবদলের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মালঞ্চা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মাগুড়া গ্রামের একটি খাস পুকুর দীর্ঘদিন থেকে ভোগদখল করছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পুকুরটি দখলে নেন যুবদল নেতা রাহুল। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে জামিল তাঁর ১০-১২ জন অনুসারী নিয়ে রাহুলের ওপর হামলা চালান। রাহুল দৌড়ে পুকুরের পাশে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়ে জামিলের লোকেরা রাহুলকে আবারও ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
রাহুল যে বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেটির মালিকের নাম আব্দুল জব্বার। ঘটনার সময় তিনি বাড়ি ছিলেন না। তাঁর বৃদ্ধাস্ত্রী আছিয়া খাতুন ছিলেন। তিনি বলেন, ‘১০-১২ জন অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে। আমি তাদের চিনতে পারিনি।’
কাহালু উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘পুকুর নিয়ে বিরোধের কথা শুনেছি। কিন্তু খুনের ঘটনা ঘটবে, বুঝতে পারিনি। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
কাহালু থানার ওসি মাহবুবর রহমান বলেন, মামলা হয়নি। হত্যায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।
জামায়াতের যুব বিভাগের নেতা নিহত
কক্সবাজার সদর উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে জামায়াতের যুব বিভাগের নেতা আমজাদ হোসেন নিহতের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সন্ধ্যায় চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের নতুন মহাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফিরে তিনি জামায়াতের যুব বিভাগে যুক্ত হন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, জমি নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি রাফির সঙ্গে আমজাদের বিরোধ রয়েছে। রাফি একই এলাকার সৈয়দ নূরের ছেলে। সোমবার সন্ধ্যায় রাফি ও দুই যুবক আমজাদকে সড়ক থেকে ধরে পাশে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে ছুরিকাঘাত ও মারধর করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।


আপনার মতামত লিখুন