জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় জোটের ঐক্য থাকছে স্থানীয় নির্বাচনে?
স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কি অটুট থাকবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এর মধ্যে জামায়াত, এনসিপিসহ অন্য শরিকরা নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সক্রিয় রেখেছে মাঠে।
তাতে জানার আগ্রহ বাড়ছে নাগরিকের, আসন সমঝোতার ভিত্তিতে তৈরি হওয়া সেই ঐক্য কি নতুন রাজনৈতিক জোট হিসেবে সামনে এগোবে? নিশ্চিত করে না বললেও সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না জামায়াত নেতারা।
দলটির নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনী ঐক্য যেটা বলেছি, আমরা এখনো তাতে ঐক্যবদ্ধ আছি। যদি প্রয়োজন হয়, তখন আমরা বসে নির্বাচনী ঐক্য বাদ দিয়ে আমরা ১১ দলীয় জোটও করতে পারি। সেটা সামনে সময়ই বলে দেবে।
জামায়াতের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, প্রচলিত বা গতানুগতিক যে ধরনের রাজনৈতিক জোট হয়, আমাদের সেটা না হলেও অনেকটা জোটের আদলেই এর রূপ। এখন আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। জাতীয় সংসদে বা সংসদের বাইরে আমরা বসছি, আলোচনা করছি, মতবিনিময় করছি।
সংসদের ভেতর অটুট থাকা এই ঐক্য নিয়ে সরকারকে প্রয়োজনে মাঠে মোকাবেলার জন্য অবস্থান বজায় রাখার কথা বলছেন তারা। সেক্ষেত্রে কী হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে? বিশেষ করে সিটি করপোরেশনে জামায়াত ও এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা সক্রিয় আছেন আলদাভাবে। নেতাদের জবাব, এখনও চূড়ান্ত হয়নি বিষয়টি।
অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আমরা ১১ দল বসে আলোচনা করে ঠিক করেছি, যে সমস্ত বিষয় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে নেওয়া হবে না এবং এই ধরনের দলীয়করণ যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আমাদেরকে বাধ্য হয়ে রাজপথে আসতে হবে। তখন এই আন্দোলন একটা জোটের হতে পারে, তো এখন যে অবস্থায় আছে আমরা সে অবস্থায় কাজ করছি।
এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, যে লড়াই-সংগ্রামটা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে হলো, সেই চেতনার বিরুদ্ধে যদি যায়, অবশ্যই আমরা সংসদে এবং প্রয়োজনে তাদেরকে এই দাবি মানতে বাধ্য করার জন্য রাজপথে যাবো।
জানা যাচ্ছে, সংসদ নির্বাচনের সাফল্য মাথায় নিলে জোটের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারে ১১ দল। অবশ্য আগামীতে দলীয় প্রতীক বা সরাসরি রাজনৈতিক মনোনয়নে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি এখনো।


আপনার মতামত লিখুন