বাবার কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, নেতা–কর্মীদের ভিড়
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শুক্রবার বেলা তিনটার একটু আগে গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়া উদ্যানের দিকে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ বেলা ২টা ৫৮ মিনিটে দেওয়া পোস্টে এ খবর জানানো হয়।
বাবার কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
১৭ বছর পর গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। বাবার কবর জিয়ারত ঘিরে বিএনপির নেতা–কর্মীদের মধ্যে আবেগ দেখা গেছে।
নেতা–কর্মীরা জানান, এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও প্রতীকী মুহূর্ত।
শেরে বাংলা নগর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জিয়ার সমাধি ও আশপাশের সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। দলীয় স্বেচ্ছাসেবকেরাও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপালন করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরের আগেই জিয়া উদ্যানসংলগ্ন রাস্তাগুলোতে জনসমাগম বাড়তে থাকে। নিরাপত্তাজনিত কারণে নেতা–কর্মীদের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতায় পরিস্থিতি ছিল নিয়ন্ত্রিত।
বিএনপির মিডিয়া সেল সকালে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানায়, আজ জুমার নামাজ আদায়ের পর বাবার কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান। পরে তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন।
তারেক রহমান বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। তিনি লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে যেতে যানজট না থাকলে আধা ঘণ্টার বেশি সময় লাগে না। গতকাল তারেক রহমানের সেই পথে যেতে সময় লেগেছে তিন ঘণ্টা। কারণ, রাস্তার দুই ধারে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সারি, মানুষের ঢল। কেবল নেতা-কর্মী নন, অনেকেই এসেছেন ১৭ বছর পর দেশে ফেরা তারেক রহমানকে একপলক দেখার কৌতূহল নিয়ে, কেউবা প্রত্যাবর্তনের একটি স্মরণীয় দিনের সাক্ষী হতে। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত সাড়ে ছয় কিলোমিটার পথ যেন লোকারণ্য হয়ে ওঠে।


আপনার মতামত লিখুন